
ধর্মঘট কি আদৌ ধর্মঘটীদের আন্দোলনকে সফল করবে ? উঠছে প্রশ্ন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা ও শিলিগুড়ি , পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০২/২০২৬ : শ্রমিক বিরোধী শ্রম কোড বাতিলের দাবিতে দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে ১২ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ জুড়েও পালিত হচ্ছে শিল্প ধর্মঘট। “শ্রমিক বাঁচাও, দেশ বাঁচাও, বাংলা বাঁ : চাও” স্লোগানকে সামনে রেখে সিআইটিইউ-সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এই ধর্মঘটের সমর্থনে পথে নেমেছে। তাঁদের দাবি, শ্রমজীবী মানুষের অর্জিত অধিকার রক্ষায় সরকার ও মালিকপক্ষের যৌথ আক্রমণ রুখতেই এই ধর্মঘটের ডাক।

হাওড়ার বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতেও ধর্মঘটের প্রভাব স্পষ্ট। জলপাইগুড়ি শহরের বড় পোস্ট অফিসের গেটে সিআইটিইউ-র লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে এবং গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ধর্মঘটের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল ও পিকেটিংয়ের ডাক দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক, এলআইসি, বাজারসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের সমর্থনে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, একই দিনে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ায় প্রশাসন বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে। পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে বাস, টোটো-সহ বিভিন্ন পরিবহনে ছাড় দেওয়া হয়েছে যাতে পরীক্ষার্থীরা কোনও অসুবিধায় না পড়েন।
A nationwide general strike demanding the repeal of labour codes is being observed, with an industrial strike across West Bengal on February 12. The strike has impacted Jalpaiguri, where protests and picketing were held at the post office, banks, and other establishments. As Higher Secondary exams began the same day, transport services were kept operational for students, and tight police security was deployed to maintain order.
![]()