এক মাসে বেশ কিছু তৃণমূল নেতা খুন হয়ে গেলেও এখনো আঁধারে পুলিশ !
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কোচবিহার, ০৯/০৮/২০২৫ : ফের কোচবিহারে খুন তৃণমূল নেতা। তাঁকে জনসমক্ষে গুলি করে খুন করা হয়েছে।
তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার জেলায়। আজ সেখানে ডোডেয়ার হাট এলাকায় অন্য একজনের সাথে বাজার করতে বেরিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা অমর রায়। ভরা বাজারের কাছেই কিছু দুষ্কৃতী ঘিরে ধরে অমর রায়কে। তারা বাইকে চেপে এসেছিল, হঠাৎ করেই তারা ঐ তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গেই গুলিতে লুটিয়ে পড়েন ঐ তৃণমূল নেতা।তাঁর সঙ্গীর মাথা ছুঁয়ে বেরিয়ে যায় গুলি।
দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে মারা যান ডোডেয়ারহাটের তৃণমূল নেতা অমর রায়, তাঁর বাবা ওই এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ও মা পঞ্চায়েত প্রধান বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে ‘বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে’। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায় নি। তবে গত এক মাসে এই নিয়ে বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা খুন হয়ে গিয়েছেন, উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার।
ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন কোচবিহারের পুলিশ সুপার ধৃতিমান ভট্টাচার্য। উপস্থিত রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং পুলিশের অন্যান্য আধিকারিকরা। তাঁদের উপস্থিতিতেও তদন্তের কাজ শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ডোডেয়ারহাট এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] ব্যাঙ্গালুরু, কর্ণাটক, ০৯/০৮/২০২৫ : অপারেশন সিঁদুর অভিযানের মাধ্যমে ভারত অন্ততপক্ষে পাঁচটি যুদ্ধ বিমান ও একটি বড় বিমানকে গুলি করে নামিয়েছিল বলে দাবী করলেন চিফ অফ এয়ার স্টাফ, এয়ার চিফ মার্শাল এ পি সিং.।
হ্যাল ম্যানেজমেন্ট একাডেমির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এয়ার চিফ মার্শাল শ্রী সিং বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের সময় আমরা পাকিস্তানের অন্তত পাঁচটি যুদ্ধ বিমানকে ধ্বংস করেছিলাম। সেই সঙ্গে একটি বড় বিমানকেও ধ্বংস করা হয়েছিল।”
শ্রী সিং বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে আমরা পাকিস্তানের পাঁচ যুদ্ধবিমানকে ধ্বংস করেছিলাম। সেই সাথে আরও একটি বড় বিমানকে ধ্বংস করা হয়েছিল। খুব সম্ভবত সেটি ELINT অথবা AEW&C শ্রেণীর বিমান ছিল। আমাদের থেকে সেটি ৩০০ কিলোমিটার দূরে ছিল। আর এটাই ছিল আমাদের ভূপৃষ্ঠ থেকে নিক্ষেপ করা সবথেকে বড় বিমান .ধ্বংসের ঘটনা।”
শ্রী সিং আরও বলেন, “এ ছাড়াও আমরা ঐ সময়ে মুরিদ ও চাকলালার মত পাকিস্তানের দুটি কম্যান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। বড় ছোট মিলিয়ে আমরা ওদের ছয়টি রাডার ধ্বংস করেছিলাম। আমরা পাকিস্তানের লাহোর ও ওকারা সেলফ ডিফেন্স সিস্টেম নষ্ট করে দিয়েছিলাম। আমরা একইসাথে পাকিস্তানের সুক্কুর , ভোলারি ও জাকোবাবাদ হ্যাঙ্গারে আক্রমণ চালিয়েছিলাম, যে হ্যাঙ্গারগুলিতে AEW&C এবং F ১৬ এর মত যুদ্ধবিমান রাখা ছিল।”
এই সময় পাকিস্তান সীমান্তের ওপার থেকেই গোলা দাগতে শুরু করেছিল, বারবার ড্রোনের মাধ্যমে আক্রমণ শানাতে চাইছিল। তার জবাব দিতে ভারত মিসাইল দেগে নুর খান সহ পাকিস্তানের ১১টি এয়ার বেস সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেয়। পাকিস্তানের মাটিতে থাকা জঙ্গী টার্নিং সেন্টার ও ডেরাগুলিকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
এই লড়াইয়ে ভারতের মোট ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং ৫৯ জন আহত হয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে ভারতের বিদেশ দপ্তর সূত্রে।
অভয়ার বাবা ও মায়ের ডাকেই সংঘটিত হয়েছিল নবান্ন অভিযান, সেই অভিযানে গিয়ে আহত হয়েছেন দেড়শো বিজেপি কর্মী
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০৮/২০২৫ : এক বছর আগে প্রাণ হারানো অভয়া যাতে সঠিক বিচার পান, তার দাবীতে নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠিচার্জ। রীতি মত রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি কলকাতার রাজপথ।
শনিবার অভয়ার বিচার পাওয়ার দাবীতে প্রতিবাদ করতে হাজার হাজার মানুষ পথে নেমেছিলেন। আজ ছিল নবান্ন অভিযান। এই মিছিলে ছিলেন আর জি কর হাসপাতালে নির্যাতিতা ও খুন হয়ে যাওয়া চিকিৎসক পড়ুয়া অভয়ার বাবা মায়ের। বিজেপি এই নবান্ন অভিযানকে সমর্থন করেছিলেন। এদিন বিজেপি কর্মী এবং বহু সাধারণ মানুষ নবান্ন অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
পুলিশ এই নবান্ন অভিযানের অনুমতি দেয় নি, যে কারণে নবান্নকে রীতিমত দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করা হয়েছিল। নবান্নে পৌঁছনোর সব রাস্তাই ব্যারিকেড করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। পার্ক স্ট্রিটের দিক থেকে মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। এই সময় শুভেন্দুর নেতৃত্বে পার্ক স্ট্রিতেই বসে পড়েন বিজেপি কর্মীরা।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন যে “তাঁর গায়ে পুলিশ ধাক্কা দিয়েছিল।” এক সময় পুলিশের সাথে অভিযানকারীদের ধস্তাধস্তিও হয়। শুভেন্দুর দাবী, “পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে, এতে বিজেপি কর্মীদের মাথা ফেটে গিয়েছে, কারোর হাত ভেঙে গিয়েছে। পুলিশের আক্রমণে শতাধিক আন্দোলনকারী মার্ খেয়ে আহত হয়েছেন।” অভয়ার বাবা মাকেও মারা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভয়ার মা হাতে চোট পেয়েছেন। তাঁর হাতের শাঁখা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একসময় অভয়া মা বলে ওঠেন, “আমার মেয়েকে পুলিশ মেরেছে, আজ আমাকেও মারল। আমাকে আজ যতই মারুক, আমরা নবান্ন যাবই , আমরা বিচার ছিনিয়ে আনব।” এর প্রতিবাদে পার্ক স্ট্রিতেই বসে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। মিছিলের বিভিন্ন জায়গায় নেতৃত্ব দিতে থাকেন অগ্নিমিত্রা পল, কৌস্তভ বাগচী, অর্জুন সিং, শঙ্কর ঘোষরা। আন্দোলনে ছিলেন অন্যান্য বিজেপি বিধায়করা। অর্জুন সিং এর মাথা ফেটেছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী।
হাওড়ার দিক হেকে যে মিছিল নবান্ন অভিমুখে আসছিল, সেখানে ১০ ফুট উঁচু ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেডের ওপর উঠে পড়লে সেখানেও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। সেই মিছিল আটকে পরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। আওয়াজ ওঠে “উই ওয়ান্ট জাস্টিস”। বিজেপির বক্তব্য আদালতের অনুমতি এবং শর্তসাপেক্ষ নির্দেশ নিয়েই বিজেপি কর্মীরা আজ আন্দোলন করছিলেন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে, কিন্তু পুলিশ অকারণেই মিছিল আটকাতে আসে। যার ফলে এই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ চেয়ে স্লোগান দেওয়া হয়।
বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। শুভেন্দু অধিকারী পার্ক স্ট্রিট ক্রসিঙে বসে থেকেই বলেন। “মিছিল এগোতে না দিলে আমরা এখানেই বসে থাকব।” পার্ক স্ট্রিটের মুখে ফের নতুন করে ব্যারিকেড দেওয়ার কাজ শুরু হয়. ইতিমধ্যেই বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দার পাঞ্জাবি রক্তে ভেসে গিয়েছে। আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন কৃষ্ণনগরের রাণীমা। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ পুলিশের আক্রমণে ভুলুন্ঠিত হয়েছে জাতীয় পতাকাও।
অভয়া কাণ্ডে মূল দোষী শাস্তি পায় নি বলে বিশ্বাস করেন রাজ্যের অগণিত মানুষ। তাই প্রকৃত দোষীকে শাস্তি দেওয়ার এবং এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে নবান্ন অভিযান করেছিলেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ, এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছিলে বিজেপি। কিন্তু অপরাধীদের শাস্তির দাবীতে যেভাবে সাধারণ মানুষকে আজ পুলিশের হাতেই আক্রান্ত হতে হল, যেভাবে অভয়ার বাবা মাকে হেনস্থা হতে হল, তাতে বিচলিত পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। ফোর্ট উইলিয়ামের কাছে অভয়ার বাবা মা আটকে পড়েন। তাঁরা পুলিশকে বার বার করজোড়ে অনুরোধ করেন যে তাঁরা নিরস্ত্র, শান্তিপূর্ণভাবে তাঁদেরকে নবান্নে যেতে দেওয়া হোক। কিন্তু তাঁদের প্রার্থনায় কর্ণপাত করেন নি পুলিশ আধিকারিকরা।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন] মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, ০৮/০৮/২০২৫ : বলিউড সুপারস্টার সলমন খানের দেহরক্ষীর নাম শেরা , এঁকে বহু মানুষ চেনেন সলমনের দেহরক্ষী হিসেবে। এই শেরার পিতৃ বিয়োগ হয়েছে, সেরাকে শান্তনা দিতে শেরার বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন সলমন খান.।
সুপারস্টার সলমন খানকে ছাওয়ার মত সাথে থাকেন দেহরক্ষী শেরা। আগলে রাখেন সলমনকে সর্বক্ষণ। তাঁর পুরো নাম গুরমিত সিং জলি। সলমনও খুব ভালোবাসেন শেরাকে। অনেকটা যেন খুব কাছের বন্ধুর মত সম্পর্ক তাঁদের । সেই শেরার বাবা সুন্দর সিং জলি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর, কয়েকমাস আগেই তিনি তাঁর জন্মদিন পালন করেছিলেন। আজ তাঁর মৃত্যুতে রীতিমত শোকাহত তাঁর ছেলে শেরা।
সলমনের সাথে বেশ কয়েক বছরের সম্পর্ক শেরার। শেরার বাবার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে শেরাদের পশ্চিম আন্ধেরির বাড়িতে পৌঁছে যান সলমন। কড়া নিরাপত্তা বলয়ের ঘেরাটোপে সলমন শেরার বাড়ির সামনে পৌঁছেই গাড়ি থেকে নামেন। বাইরে বেরিয়ে আসেন শেরা।তাঁকে দেখেই শান্তনা দিতে জড়িয়ে ধরেন সলমন। আজ শেষ কৃত্য সম্পন্ন করা হবে সুন্দরলালের, আগামী ১০ তারিখে যোগেশ্বরীর গুরুদোয়ারাতে ভোগ এবং অৱদাস পালিত হবে শিখ ধর্মমতে।
আজ এক বছর পূর্ণ হল আর জি কর হাসপাতালে অভয়া কান্ডের এক বছর আগে ধ*র্ষিতা হয়ে খু ন হতে হয়েছিল পড়ুয়া চিকিৎসক অভয়াকে। একটা বছর কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধী বা অপরাধীরা ধরা পরে নি বলে অভিযোগ করেন অভয়ার বাবাও মা. তাঁরা জানতে চান করা সেদিন তাঁদের মেয়ের ওপর এমন নির্যাতন করেছিলে যার জন্যে তাঁকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল। আগামীকাল সেই প্রশ্ন করতেই যবান অভিযানে অংশগ্রহণ করতে চলেছেন অভয়ার বাবা ও মা.
এদিকে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে মনে করে আগামীকাল নবান্ন যাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ থাকছে পুলিশ। নবান্ন যাওয়ার সব রাস্তাতেই ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। আশেপাশের বাড়িগুলি থেকে মিছিলের ওপর নজরদারি যাতে চালানো যায় সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে। হয়তো প্রস্তুত থাকবে জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাসও. মিছিল রুখে দেওয়ার সবরকম ব্যবস্থায় থাকবে আগামীকাল। তৈরি থাকবে RAF . তবু অভয়ার বাবা মা আগামীকাল মিছিলে পা মেলাতে চান. তাঁদের রক্তই প্রশ্ন কে মারল তাঁদের আদরের সন্তানকে?
আগামীকাল অভয়ার বাবা মা আর জি কর হাসপাতালে যেখানে অভয়াকে মারা হয়েছিল সেই ঘটনাস্থলে একবার যেতে চান. এই কারনে তাঁরা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন। সম্ভবত আজ হাইকোর্ট সেই আবেদনটি শুনবে।
অবৈধভাবে নদীগর্ভ থেকে বালি তুলে নিয়ে ছুটে যাওয়া বেপরোয়া ডাম্পার চলে রাজ্যের প্রায় সর্বত্রই। পুলিশ দেখেও দেখে না।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কাঁকসা,পশ্চিম বর্ধমান, ০৮/০৮/২০২৫ : পথ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুরের কাঁকসায় রীতিমত রণক্ষেত্র তৈরি হয়ে গেলো। চললো পুলিশের লাঠিচার্জ।
আজ সকালে দুর্গাপুরের কাঁকসায় একটি বালি বোঝাই ডাম্পার ধাক্কা মারে এক যুবককে। মৃত্যু হয় ঐ যুবকের। ঐ দুর্ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই আশেপাশের গ্রামগুলি থেকে বাসিন্দারা বেরিয়ে এসে চড়াও হয় ঐ ডাম্পারের ওপর। চালককে আটক করে মারধর করা হয় বলে জানা গিয়েছে। ওই পথ দিয়ে যাওয়া আরও দুটি ডাম্পারে ভাংচুর চালান উত্তেজিত জনতা।
এই সময় কাঁকসা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে তাঁদেরকে ঘেরাও করে রাখা হয়, পুলিশের সাথে উত্তেজিত জনতার বচসা বেঁধে যায়। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশের বিশাল বাহিনী। উত্তেজিত জনতা ফের পুলিসকে ঘিরে ধরে ঢিল পাটকেল ছুঁড়তে শুরু করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
এলাকার মানুষের অভিযোগ, ঐ অঞ্চলে ভাঙা এবং কাঁচা রাস্তার ওপর দিয়েই বালিপাচারের কাজ করা হয়। অবৈধভাবে বালি তোলা হয় নদীগর্ভ থেকে। ডাম্পারগুলি ঐ রাস্তা দিয়ে বেপরোয়াভাবে চলে প্রতিদিন। এর প্রতিবাদ জানিয়েও কোনো ফল হয় নি। থানায় অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয় নি। এবার বেপোরোয়া ডাম্পারের গতির বলি হলেন এক গ্রামবাসী।
আজ খবর (বাংলা) [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ০৮/০৮/২০২৫ : ভারতে ২০২৫-এ (এপ্রিল পর্যন্ত) চিকিৎসার জন্য বিদেশ থেকে এসেছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৮৫৬ জন। এই সময়ে আসা মোট পর্যটকদের প্রায় ৪.১ শতাংশ। গত ৫ বছরে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় চিকিৎসার জন্য এসেছেন বাংলাদেশ থেকে। এর পরে আছে ইরাক, সোমালিয়া, ওমান, উজবেকিস্তান।
মেডিক্যাল ট্যুরিজম সহ পর্যটন স্থল এবং পণ্যের উন্নয়ন ও প্রসারে কাজ করে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন। কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যটন মন্ত্রক একাধিক কর্মসূচি এবং উদ্যোগের সাহায্যে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এই বিষয়ে সাহায্য করে থাকে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক মেডিক্যাল ট্যুরিজমের জন্য পরিষেবা প্রদানকারী, হাসপাতাল, হোটেল, এয়ারলাইন্স, নিয়ামক সংস্থা এবং সরকার সহ পরিমণ্ডল গড়ার কাজে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিয়ে থাকে।
এর পাশাপাশি ‘হিল ইন ইন্ডিয়া’-র প্রসারে সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সক্ষমতা বর্ধনে পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। ভারত সরকার চিকিৎসার জন্য ভারতে আসা বিদেশী নাগরিকদের সুবিধার্থে ১৭১টি দেশের নাগরিককে ই-মেডিক্যাল ভিসা ও ই-মেডিক্যাল অ্যাটেনডেন্ট ভিসা দেয়।
আজ খবর (বাংলা) [দেশ] উধমপুর, জমিউনো কাশ্মীর, ০৮/০৮/২০২৫ : জম্মু ও কাশ্মীরের বসন্তগড়ের বাস দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সিআরপিএফ জওয়ানদের এয়ার লিফট করে উধমপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল।
জম্মু ও কাশ্মীরের বসন্তগড়ে প্রবল বর্ষণে অত্যন্ত খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায় সিআরপিএফ এর একটি বাস। ওই বাসে ছিলেন বেশ কয়েকজন সিআরপিএফ জওয়ান । ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান বেশ কয়েকজন জওয়ান। বাকিদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। আজ তাঁদের এয়ার লিফট করে উধমপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল। তাঁদের চিকিৎসা শুরু হয়েছে।
ভয়ঙ্কর খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেই আহত জওয়ানদের এয়ার লিফট করাটা ছিল বেশ চ্যালেঞ্জের। কেননা দৃশ্যমানতা ছিল খুব কম। বৃষ্টি চললেও মাত্র ৩৫ মিনিটের মধ্যে একাধিকবার যাতায়াত করে সিআরপিএফ জওয়ানদের উদ্ধার করে নিয়ে গিয়েছে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স। উদ্ধারকাজটিও ছিল বেশ চ্যালেঞ্জের।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] গুয়াহাটি, আসাম, ০৮/০৮/২০২৫ : “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কে এনআরসি মেনে নিতে বলেছে ?” প্রশ্ন আসামের মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা হেমন্ত বিশ্বশর্মার।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঝাড়গ্রামে গিয়ে বলেছেন, “SIR এর নাম করে পশ্চিমবঙ্গে NRC ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা চলছে। আসামে প্রায় ৭ লক্ষ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এর মধ্যে হিন্দু বাঙালিরাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই কোচবিহার আর আলিপুরদুয়ারের দুজনকে আসাম থেকে NRC নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আমাদের কয়েকজন সরকারি আধিকারিককে সাসপেনশন নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চায় বিজেপি। নির্বাচন কমিশন ওদের এজেন্টের মত আচরণ করছে।”
মমতা বলেছেন, “ভোটার তালিকা থেকে বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে মেনে নেবো না। বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ করব। পশ্চিমবঙ্গে এন আর সি মেনে নেবো না।”
মমতার এই কথার পরিপ্রেক্ষিতেই আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, “কে ওঁকে NRC মেনে নিতে বলেছে ? NRC র কথা তো কেউ তোলেই নি ! গত ৫ বছরে উনি এনআরসি নিয়ে কোনো কথা বলেন নি, আর এখন ভোট কাছে আসতেই ওঁর এন আর সির কথা মনে পড়ে গেলো ? আসলে এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা কৌশল। এটা তাঁর ভোট কৌশল। মানুষের মধ্যে একটা এমন আতঙ্ক তিনি তৈরি করে দিতে চাইছেন, যাতে মানুষ দিশেহারা হয়ে তাঁকেই ভোট দেন। মনে হয় তিনি ভুল বকছেন।”
বিহারের সীতামারীতে পুনরাধামে সীতা মাএর মন্দিরের শিলান্যাস করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সমগ্র বিহারবাসীর স্বপ্ন আজ পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে বিজেপি। যেভাবে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় শ্রীরাম মন্দির এর ভূমি পূজা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ঠিক সেভাবেই আজ পুণরাধামে ভূমি পূজা করে মন্দিরের শিলান্যাস করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নির্মাণ করা হবে সীতা মাএর নতুন বিশাল মন্দির। মন্দিরের শিলান্যাস হওয়ার সাথে সাথেই জুড়ে যাবে দিল্লী – সীতামারি রেলপথ। এর ফলে সম্প্রদায় পর্যটনের শ্রীবৃদ্ধি হবে। অর্থনৈতিক দিক থেকে উন্নতি করবে মিথিলাঞ্চল। “বিহার প্রথম, বিহারী প্রথম প্রকল্প নিয়ে বেশ কিছু উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপি সমর্থিত মুখ্যমন্ত্রী নীতিশকুমারের। আর এর প্রভাব অবশ্যই পড়বে ভোট বাক্সে। অমিত শাহ আজ সীতা মাএর মন্দিরের শিলান্যাস করবেন, অনুষ্ঠানে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং ও চিরাগ পাসোয়ান।