আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], ঢাকা, বাংলাদেশ, ১৭/১১/২০২৫ : শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের একটি আদালত ২০২৪ সালের জুলাই আগস্ট মাসে বিদ্রোহ দমনের নামে মানবিকতা বিরোধী কাজ কর্মের জন্যে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করল এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করলো।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতা বিরোধী অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করল এবং সেই সঙ্গে ট্রাইবুনাল তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করলো। বাংলাদেশ আজ রীতিমত অশান্ত হয়ে উঠেছিল শেখ হাসিনার এই সাজা ঘোষণাকে ঘিরে। বহু মানুষ উত্তেজিত অবস্থায় পথে বেরিয়ে এসেছিলেন। ঢাকার রাজপথে আজ সেনাবাহিনীকে টহল দিতে হয়। প্রচুর পরিমাণে পুলিশ বাহিনীও মোতায়েন করে রাখা হয়েছিল। মানবতা বিরোধী পাঁচটি অভিযোগের প্রত্যেকটিতে অপরাধী হিসেবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিহ্নিত করেছে ট্রাইবুনাল।
আদালত জানিয়েছে, ২০২৪ সালে জুলাই আগস্ট মাসে বিদ্রোহ দমনের নামে সাংঘাতিক এবং নৃশংস পরিকল্পনা করেছিলেন শেখ হাসিনার সরকার। হাসিনার পুলিশ প্রধান আল মামুন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এই নৃশংসতা বাস্তবায়িত করতে মদত দিয়েছিলেন। তবে, এই বিচার শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই করা হলো। শেখ হাসিনা বর্তমানে ঢাকা ছেড়ে নতুন দিল্লীতে আশ্রয় নিয়েছেন। বাংলাদেশ টিভি এই মামলার রায়দানের ভিডিও সরাসরি সম্প্রচার করেছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রশ্ন উঠেছে যে এটা ন্যায় বিচার নাকি সবটাই প্রহসন !
আজ খবর (বাংলা), [খেলা], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৬*/১১/২০২৫ : দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট ম্যাচে হেরে গেলো ভারতীয় ক্রিকেট দল. স্পিন ঘূর্ণিতে নাস্তানাবুদ হলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচটি খেলতে নেমেছিল ভারত। এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে দক্কিন আফ্রিকা মোট ১৫৯ রান তোলে আর দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৩ রান তোলে। রান তাড়া করতে নেমে ভারত প্রথম ইনিংসে ১৮৯ রান তোলে আর দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৯৩ রান তোলে সব উইকেট হারিয়ে। ঘূর্ণি পিচে স্পিনের দৌলতে আজ মাত্র ৩ দিনেই শেষ হয়ে গেলো ৫ দিনের টেস্ট সিরিজ। প্রথম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতে গেলো ৩০ রানে।
কলকাতায় প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিন নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার গোটা টেস্ট ম্যাচটাই জিতে নিয়ে গেলো তারা।দক্ষিণ আফ্রিকার অসাধারণ স্পিন বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারলো না ভারতীয় ব্যাটাররা। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মত ধ্বসে পড়লো ভারতীয় ইনিংস।
এর পরের টেস্ট ম্যাচ রয়েছে আসামের গুয়াহাটি শহরে। টেস্ট ম্যাচ ছাড়াও ওয়ান দে এবং টি ২০ ম্যাচও ভারত খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। আপাতত টেস্ট ম্যাচ সিরিজে ১-০ টেস্টে এগিয়ে থাকলো দক্ষিণ আফ্রিকা।
আজ খবর (বাংলা), [খেলা], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৬/১১/২০২৫ : স্পিনের জাদুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল।
দক্ষিন আফ্রিকার বিরুদ্ধে মোট দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে ভারত। তার প্রথমটা খেলা হচ্ছে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে , পরের অর্থাৎ দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটি খেলা হবে আসামের গুয়াহাটিতে। কলকাতার টেস্ট ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিনেই সব উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেদিনই একটি উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল ভারতও।
প্রথম দিনে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে ১০ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তুলেছিল। ভারতও ১৮৯ রান তুলে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫৩ রানে শেষ হয়ে যায়। এদিকে দ্বিতীয় ইনিংসে রান তাড়া করতে নেমে ভারত মাত্র ৩৮ রান তুলেছে এবং ৪টি উইকেট খুইয়েছে। যশস্বী জয়সিয়াল ০, কে এল রাহুল ১ ও জুৱেল ১৩ ও ঋষভ পন্থ ২ রানে আউট হয়ে যান। জিততে হলে ভারতকে এখনও ৮৬ রান তুলতে হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাসেন এবং হারমার দুটি করে উইকেট পেয়েছেন। স্পিনের ভেল্কি ইডেন গার্ডেন্সে তিন দিনেই টেস্ট ম্যাচ শেষ করে দিতে চুলেছে। ঘূর্ণি পিচ দাঁড়াতেই দিচ্ছে না ব্যাটারদেরকে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,১৬/১১/২০২৫ : রাজভবনে অস্ত্র সম্ভার ! রাজভবন থেকে অস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে ? তৃণমূল নেতা তথা আইনজীবী কল্যাণ ব্যানার্জি অন্তত এই ধরনেরই অভিযোগ করেছেন। তাঁর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কল্যাণ ব্যানার্জিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন রাজ্যপাল।
তৃণমূল নেতা এর আগে বিস্তর বিতর্কিত কথাবার্তা বলেছেন, কিন্তু সে সব ছিল বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে। এবার কল্যাণ আক্রমণ করে বসলেন একেবারে রাজ্যের রাজ্যপালের বিরুদ্ধেই। কল্যাণ একেবারে নজিরবিহীনভাবে বলেছেন ‘রাজভবন থেকে অস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে’। গত শনিবার তৃণমূল নেতা কল্যাণ ব্যানার্জি বলেছিলেন, “বিজেপি অপরাধীদের রাজভবনে আপ্যায়ন করছে এবং রাজভবন থেকেই রাজ্যে তৃণমূল কর্মীদের ওপর আক্রমণ করার জন্যে অস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে। সমাজবিরোধীদের হাতে গলা বারুদ তুলে দেওয়া হচ্ছে।”
কল্যাণ ব্যানার্জির এই বক্তব্যে বেশ ক্ষুন্ন হয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি কল্যাণের এই লাগামছাড়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, “রাজভবনের দরজা মানুষের জন্যে আমি খুলে দিয়েছি। যে কেউ রাজভবনে এসে মজুত করা অস্ত্রশস্ত্র খুঁজে দেখতে পারেন। রাজভবনকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। রাজভবনে কোনো অস্ত্র থাকে না। যে কেউ এসে খুঁজে দেখতে পারেন।”
তৃণমূল সাংসদকে এই ব্যাপারে একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি কল্যাণ ব্যানার্জিকে তাঁর বক্তব্যের জন্যে প্রকাশ্যে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেছেন , না হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। রাজ্যপাল বলেন, “সাংসদের এই ধরনের মন্তব্য প্রমান করে যে রাজ্যের পুলিশের ওপর তাঁর কোনো ভরসা নেই ।”
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৫/১১/২০২৫ : বিহারে এনডিএর ল্যান্ডস্লাইড ভিক্টরির পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবাংলার রাজনীতি সম্পর্কে একটি কটাক্ষ করেছিলেন। আজ সেই কটাক্ষেরই জবাব দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা।
গতকাল বিহারে বিশাল ব্যাবধানে জয়লাভের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, ” গঙ্গা নদী বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গতেই যায়। অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন বিহারের অসাধারণ জয়ের ধারা বলবৎ থাকবে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনেও। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আর মাত্র কয়েক মাস পরেই বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। সেই নির্বাচনে বিহারের মত পশ্চিমবঙ্গেও ব্যাপক জয়লাভের সস্বপ্ন দেখছে ভারতীয় জনতা পার্টি।
নরেন্দ্র মোদীকে অবশ্য আজ জবাব দিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা। তিনি এদিন বলেন, “অলীক স্বপ্ন দেখবেন না, দিবাস্বপ্ন দেখবেন না। সেই স্বপ্ন সত্যি হবে না। পশ্চিমবঙ্গে জয়লাভ অনেক দূরে রয়েছে আপনাদের থেকে। আপনি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পাকল্পে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছেন। মহিলাদের প্রকল্পেও টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিয়ে আপনি পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের অপমান করেছেন। আপনি এবং আপনার মত বিজেপির অন্যান্য নেতারা সবসময় পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের অসম্মান করেন। “
বিজেপিকে সমালোচনা করতে গিয়ে শশী পাঁজা বিজেপিকে “বাংলা বিরোধী জমিদার” হিসেবে উল্লেখ করেন, যেখানে যিনি বাংলা বিরোধী বই বেশি জোর দেন। তিনি বলেন, “বংলায় বিজেপি বঙ্গ বিরোধী হিসেবেই পরিচিত। এই রাজ্যে এটাই এদের পরিচিতি। এরা বাংলা বিরোধী আবেগ নিয়ে চলাফেরা করে। আর সেই কারণেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় কিছু আশা করার মত কোনো কারণ নেই, এই রাজ্যের মহিলারাই ওদেরকে ভোটের বাক্সে মুখের ওপর জবাব দিয়ে দেবে।”
এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্য বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যা কিছু বলার দরকার ছিল তা বলে দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে এখন আর আইনের শাসন নেই। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই হোক না কেন তাঁরা এবার তৃণমূল কংগ্রেসকে ত্যাগ করবেনই।”
আজ খবর (বাংলা), কলকাতা, [রাজ্য] পশ্চিমবঙ্গ, ১৫/১১/২০২৫ : ফের মধ্য কলকাতার বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো। দমকল বাহিনী জানিয়েছে এই মুহূর্তে আগুন প্রায় নিয়ন্ত্রণে এসে গিয়েছে।
আজ মধ্য কলকাতার এজরা স্ট্রিটে একটি ওয়ার হাউস থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। তারপরেই আগুন দেখতে পাওয়া যায়। আগুন দেখেই স্থানীয় লোকজন দমকলে খবর দেন। ওই ওয়ারহাউসটি ছিল ইলেক্ট্রিকাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে ঠাসা। সেই পণ্যগুলি পুড়তে থাকে। এর মধ্যেই ঘটনা স্থলে এসে পৌঁছায় দমকল নাহিনী।
এজরা স্ট্রিটের ঘটনাস্থলে মোট ২০টি দমকলের গাড়ি এসে পৌঁছেছিল। তার মধ্যে ৯টি ইঞ্জিন দ্রুত কাজ শুরু করে দেয়। ঐ ওয়ার হাউসের বিভিন্ন দিক থেকে জল দেওয়া শুরু করা হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন অনেকটা আয়ত্তে আসে, তবে গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঐ ঘটনা চাক্ষুস করতে প্রচুর মানুষ ভীড় জমায়, পুলিশ তখন ভীড় সামলাতে শুরু করে।
দমকলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এটা অনেক বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারতো, কেননা এজরা স্ট্রিট জায়গাটি বেশ ঘিঞ্জি এলাকা, ফলে আগুন ছড়িয়ে যেতে পারতো। তবে দমকল বাহিনীর তৎপরতায় অনেক বড় কোনো ঘটনা ঘটতে পারে নি। এই ঘটনাও হতাহতের কোনো খবর নেই, তবে অনেক টাকার মাল পুড়ে গিয়ে থাকতে পারে। কিভাবে ঐ ওয়ার হাউসে আগুন লাগলো, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করা হবে।
Никогда не задумывались, как важно создать правильную атмосферу на корпоративной встрече? Или о том, какие элементы могут сделать ваше мероприятие уникальным и незабываемым? Статистика утверждает, что элементы неформального общения играют ключевую роль в организации успешных деловых контактов. Предоставление услугах девушек по вызову во время корпоративных встреч в Москве – это одна из стратегий, способных не только развеселить участников встречи, но и повысить общий уровень взаимодействия между коллегами и партнерами. В данной статье мы глубже погрузимся в эту тему, рассмотрим ее преимущества, идеи для воплощения в жизнь, экономические аспекты и множество других нюансов, которые могут сделать ваше мероприятие поистине выделяющимся.
Преимущества intimate-досуга на корпоративных встречах
Интимная атмосфера может серьезно изменить динамику корпоративных встреч. Одним из главных преимуществ является возможность снять напряжение и стресс, который порой сопутствует серьезным переговорам. Девушки по вызову могут стать своеобразным “ледоколом”, позволяющим участникам более свободно взаимодействовать друг с другом.
Снятие напряжения: Девушки могут помочь разбить барьеры, создавая непринужденную атмосферу.
Повышение продуктивности: Деловые встречи становятся менее формальными и более вдохновляющими.
Стимулирование креативности: Неформальная обстановка способствует проявлению новых идей.
Задумываясь о том, насколько важно создать атмосферу доверия и открытости, можно легко понять, что добавление элемента интим-досуга может стать решающим фактором для успешного завершения переговоров или ведения бизнеса.
Как выбрать девушек для выезда на корпоративные встречи?
Выбор девушек для выезда – это серьезный процесс, который требует внимания. Важно учитывать несколько факторов, чтобы сделать правильный выбор и не испортить репутацию компании.
Репутация агентства
Перед тем как заключить контракт с агентством по предоставлению услуг, обязательно ознакомьтесь с его репутацией. Ищите отзывы, опыт работы и уровень обслуживания. Проверьте, какие меры безопасности предпринимаются.
Качество услуг
Давайте поговорим о качестве. Подумайте о том, чтобы обсудить с агентством, какие услуги предлагаются конкретными девушками. Это может быть как просто флирт, так и более интимные моменты. Убедитесь, что вы выбираете девушек, которые соответствуют вашим требованиям.
Профессионализм
Важно также обратить внимание на профессионализм девушек. Они должны уметь вести себя уместно в корпоративной обстановке и понимать, как создать нужное настроение. Умение поддерживать беседу и соответствовать атмосферным требованиям – ключ к успеху.
Правильное планирование встречи: создание атмосферы
Эффективное планирование – это основа успешного мероприятия. Обратите внимание на следующие аспекты, чтобы создать нужную атмосферу.
Тематика встречи
Выбор правильной темы поможет настроить участников и задать нужное направление. Тематика может быть связана с корпоративной культурой вашей компании или с общими интересами всех участников.
Локация
Расположение также играет большую роль. Уютные рестораны или закрытые клубы, предлагающие приватные комнаты – отличные варианты для таких встреч. Практика показывает, что интимная обстановка способствует созданию доверия и открытости.
Программа
Составление программы мероприятия – важный этап. Учтите время на бизнес-часть и развлекательные моменты. Элементы развлечений помогут участникам расслабиться и открыться.
Этика и правила поведения
Соблюдение этики и правил поведения – важный аспект, который следует учитывать при организации таких мероприятий. Взаимное уважение и соблюдение границ помогут избежать многих ненужных недоразумений.
Неприкосновенность границ: Уважайте личное пространство девушек и будьте внимательны к их реакциям.
Четкие правила: Проговорите с девушками и участниками основные правила поведения на встрече, чтобы избежать неловких моментов.
Aбстрагирование от деловых моментов: Помните, что основная цель – создать расслабляющую атмосферу, не забывая о деловой части.
Варианты досуга: как можно разнообразить вечер
Помимо общения, важно предусмотреть различные варианты досуга, которые сделают вечер уникальным и незабываемым.
Интерактивные игры
Включите в программу интерактивные игры, такие как “Крокодил” или “Угадай мелодию”. Это отвлечет участников от серьезных дел и создаст атмосферу веселья.
Флешмоб
Организуйте небольшой флешмоб с участием девушек. Это может быть танцевальная программа или что-то необычное, что запомнится надолго.
Темы вечера
Вы можете выбрать интересные темы для вечера, например, стилизовать встречу под определенную эпоху или культурный стиль. Это добавит уникальности и создаст запоминающийся опыт.
Финансовый аспект: стоит ли это того?
Стоимость услуг девушек по вызову может варьироваться в зависимости от многих факторов, таких как место, продолжительность и уровень ожиданий. Задайтесь вопросом: насколько важен этот опыт для вашей компании?
Бюджет: Определите, сколько вы готовы потратить, и исследуйте доступные предложения.
Отдача инвестиций: Рассмотрите потенциальные выгоды, такие как повышение морального духа команды и улучшение деловых отношений.
Качество по цене: Не всегда высокая цена соответствует качеству https://kolomna-it.top/, будьте внимательны в выборе.
В настоящее время многие компании открыты к новым подходам в организации корпоративных мероприятий. Девушки по вызову на выезд – это не только способ добавить ярких эмоций, но и шанс создать более крепкие связи среди сотрудников и бизнес-партнеров. В конечном счете, важно, чтобы все участники встречи чувствовали себя уютно и свободно.
Для достижения успеха в бизнесе немаловажную роль играет атмосфера и уровень взаимодействия между людьми. Позвольте себе экспериментировать и открывать новые горизонты в организации ваших мероприятий, потому что именно такие нестандартные решения порой становятся отправной точкой для плодотворного сотрудничества и творческих идей. Не бойтесь делать шаг навстречу новым видам досуга, которые могут стать ключевыми в вашей корпоративной культуре.
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], পাটনা, বিহার, ১৪/১১/২০২৫ : বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে ফের গেরুয়া ঝড় উঠতে শুরু করেছে। আজ বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের গণনা চলছে। সেই গণনায় বিজেপি সমর্থিত এনডিএ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে।
বিহারে মোট ২৪৩টি আসনের মধ্যে ২০৩টিতে এগিয়ে রয়েছে এনডিএ সমর্থিত বিজেপি। আরজেডি এগিয়ে রয়েছে ৩৪টি বিকেন্দ্রে। জেএসপি অর্থাৎ পি কের দল শূন্য এবং অন্যান্যরা ৬টি কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে। নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন বিজেপি বিহারে দুই তৃতীয়অংশের থেকেও বেশি আসন পাবে। সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে ফলে গিয়েছে। উল্টোদিকে তেজস্বী যাদব যা কিছু বলেছিলেন, তা যেন সবই ফাঁকা বুলি হিসেবে প্রমাণিত হলো। বিরোধী ইন্ডিয়া মহাজোটের পরাজয় হলো।
বিহারে বিশাল ব্যবধানে জিততে চলেছে বিজেপি। এই রাজ্যে ভোটের পর এক্সিট পোলের রায়ও এটাই ছিল। কিন্তু তেজস্বী যাদব এক্জিট পোলের রায় মানতে চান নি। পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যেভাবে বিহারে বিজেপি জিতেছে, ঠিক সেভাবেই পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ব্যাপক ব্যবধানে জিতবে, শাসক দল যেন প্রস্তুত থাকে।” বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি বলেন, “বিহারে নতুন সূর্যোদয় হলো. ”
তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ বলেন, “বিহারের সাথে পিশ্চিমবঙ্গকে গুলিয়ে ফেললে হবে না। এখানে ফের একবার তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন।” বিহারের পাশাপাশি আজ পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি কর্মীরা গেরুয়া আবির খেলায় মেতে ওঠেন।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ১৩/১১/২০২৫ : দিল্লী বিস্ফোরণের তদন্ত করতে নেমে এবার আরও একটি গাড়ির সন্ধান করতে চাইছে তদন্তকারী দল এনআইএ । ব্রিজা ব্র্যান্ডের সেই গাড়ির সাথে জঙ্গী ডাক্তার উমর উন নবীর যোগ আছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে ইকো স্পোর্টস গাড়ির খোঁজ চলছিল, দিল্লীর বিস্ফোরণের সাথে যোগ থাকা ঐ গাড়িটিকে হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে আটক করা হয়েছিল। দিল্লীর নম্বরওলা সেই গাড়িটি বর্তমানে দিল্লী পুলিশের হেফাজতেই আছে। এবার একটি ব্রিজা ব্র্যান্ডের গাড়ির খোঁজ চালানো হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে আল-ফালাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডাক্তার উমর উন নবীর সাথে সেই গাড়িটির যোগ রয়েছে। দিল্লীর বিস্ফোণের পর থেকেই এই ডাক্তার বেপাত্তা রয়েছেন। পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে।
দিল্লীর বিস্ফোরণের সাথে এক ঝাঁক শিক্ষিত মানুষ যুক্ত রয়েছে বলে মনে করছে তদন্তকারী দল। এদের মধ্যে কেউ হয়তো ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার আবার কেউ হয়ত অধ্যাপক। এরাই জঙ্গী মনস্ক হয়ে লাখো লাখো মানুষকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করে চলেছে। ভ্যারেন্ডা ফল থেকে সুক্ষভাবে বানানো যায় রাইসিন নামক এক ধরনের বিষ, যা সামান্য পরিমানে মানুষের শরীরে গেলে মৃত্যু অনিবার্য। কোনো পানীয় কোম্পানির পণ্যে তা মিশিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করার অরিকল্পনা করেছিল এই জঙ্গীরা। অযোধ্যার রাম মন্দির সহ অন্যান্য মন্দির এবং বারাণসীর মন্দিরেও হামলা চালানোর ছক কষেছিল এই শিক্ষিত জঙ্গীরা।
দিল্লী বিস্ফোরণে যুক্ত জঙ্গী ডক্টর উমর উন নবীকে দিল্লীতে ঢোকার ছবি দেখা গিয়েছে সিসিটিভিতে। একটি আই টেন গাড়ি নিয়ে এই ব্যক্তি বদরপুর সীমান্ত দিয়ে দিল্লীতে প্রবেশ করছিলো। কোনো এক টোল ট্যাক্সের গেটে সিসিটিভিতে তার ছবি উঠে যায়। এই মুহূর্তে তার খোঁজে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে দিল্লী পুলিশ।
দিল্লী বিস্ফোরণের মূল অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে চাইছে তদন্তকারী এজেন্সি
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/১১/২০২৫ : দিল্লী বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে ফরিদাবাদ পুলিশ আজ একটি লাল রঙের ইকো স্পোর্টস গাড়িকে বাজেয়াপ্ত করেছে।
দিল্লীর প্লেট নম্বরওলা এই গাড়িটির মালিকও দিল্লী বিস্ফোরণ ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত হিসেবে ধৃত ড: উমর উন নবী বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ মনে করছে এই গাড়িটিও সেদিন বিস্ফোরণের ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত ছিল. এই গাড়িটিকে আজ ফরিদাবাদ পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে নিয়েছে। এই গাড়িটির প্লেট নম্বর হল DL10CK0458.
সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে দিল্লী বিস্ফোরণের দিন অর্থাৎ গত সোমবার উমর উন নবী রামলীলা ময়দানের কাছে আসিফ আলী রোডের একটি মসজিদে কাটিয়েছিল . সোমবার এই মসজিদ থেকে বেরিয়ে সে সোজা চলে যায় সুনেহরী মসজিদের পার্কিং লটে। দুপুর ৩:১৯ নাগাদ সে তার গাড়ি ওই পার্কিং লটে পাৰ্ক করেছিল। তার এই গন্তব্য পরিবর্তনের বিষয়টি ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করেও বোঝা গিয়েছে। . এদিকে আল-ফালাহ মেডিকেল কলেজ থেকে আরও এক ডাক্তার আজ বেপাত্তা হয়ে গিয়েছে। তার খোঁজেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।