
তামিলনাড়ু থেকে ধৃত জঙ্গীরা ভারতে নাশকতার ছক কষেছিল, কলকাতাকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করার ছক ভেস্তে গেল
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] কলকাতা ও চেন্নাই, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু, ২২/০২/২০২৬ :
ভারতে সম্ভবত বড়সড় কোনো নাশকতা ভেস্তে গেলো। দেশের নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি আজ তামিলনাড়ু থেকে জঙ্গী সংগঠনগুলির সাথে যুক্ত এমন ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এর আগে উমর ফারুক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্ততার করা হয়েছিল। এই উমর ফারুক লস্কর ই তৈবা জঙ্গী গোষ্ঠীর এক হ্যান্ডলারের সংস্পর্শে এসেছিল। উমর ফারুককে জেরা করে আর এক জনের নাম জানতে পেরেছিল নিরাপতা এজেন্সি। তার নাম শাবির আহমেদ লোন। এই ব্যক্তি জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা। সে পাকিস্তানের মুজাফ্ফরাবাদে গিয়ে জঙ্গী প্রশিক্ষণ নিয়েছিল। ২০০৭ সালে সে একবার অস্ত্রশস্ত্র ও গ্রেনেড সমেত ধরা পড়ে গিয়ে জেলে গিয়েছিল। এই ব্যক্তি আইএসআই এর সাথেও যোগাযোগ রাখতো বলে জানা যাচ্ছে। নাশকতা ঘটানোর ট্রেনিং নিয়েছিল এই শাবির আহমেদ লোন।
রবিবার নিরাপত্তা এজেন্সির হাতে ধরা পড়ে যায় আট জঙ্গী। এদের মধ্যে একজন ছিল বাংলাদেশী। এখনো পর্যন্ত যেটা জানা যাচ্ছে যে পাকিস্তানের আইএসআই এবং বাংলাদেশের জঙ্গী সংগঠনগুলি আট জনের এই দলটিকে ভারতে বেশ কিছু নাশকতার ঘটনা ঘটাতে পাঠিয়েছিল। এদের টার্গেট ছিল ভারতের বিভিন্ন শহরে জনবহুল এলাকায় নাশকতার ঘটনা ঘটানো, যাতে প্রচুর মানুষকে হত্যা করা যায়।
জঙ্গীদের এই দলটির থেকে আপত্তিজনক বেশ কিছু নথী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এদের থেকে অনেকগুলি মোবাইল ফোন এবং প্রচুর সিম কার্ড পাওয়া গিয়েছে। এরা কিছুদিন ধরেই সমাজ মাধ্যমে ভারত বিরোধী নানারকম পোস্ট করছিল বলে জানা গিয়েছে। এরা জাল আঁধার কার্ড ব্যবহার করছিল, নিজেদের নাম গোপন করেছিল এবং বস্ত্র শিল্পে কাজ করছিল।
উমর ফারুক কলকাতায় একটি ঘাঁটি তৈরি করার চেষ্টা করছিল। শাবির আহমেদ লোনের সাথে যোগাযোগ রাখছিল। কলকাতাকে জঙ্গী ঘাঁটি বানিয়ে নিজেদের আস্তানা তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছিল উমর। এই নির্দেশ সরাসরি পাকিস্তান থেকেই এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্তে অনেকটা জায়গায় প্রাচীর বা কাঁটা তার দেওয়া নেই। জঙ্গীরা সেই জায়গাগুলি দিয়েই ভারতে প্রবেশ করছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
![]()