www.aajkhabor.in

ভারত ফ্রান্সের থেকে প্রচুর পরিমান ত্রুজ মিসাইল কিনতে চলেছে

ভারত ফ্রান্সের থেকে প্রচুর পরিমান ত্রুজ  মিসাইল কিনতে চলেছে

ফ্ৰান্সের  সাথে এই নতুন চুক্তি শত্রু দেশগুলিকে রীতিমত চিন্তায় রাখলো 

আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক] নতুন দিল্লী, ভারত, ০৮/০২/২০২৬ :   ফ্রান্স ও ভারতের মধ্যে বড় অংকের ত্রুজ মিসাইল ক্রয় করার চুক্তি হতে চলেছে। এই ক্রয়ের জন্যে ভারত ৩০ কোটি  ইউরো বিনিয়োগ করতে পারে।

ভারত ফ্রান্সের  সাথে ফের একবার বড় অস্ত্র চুক্তির পথে হাঁটতে চলেছে। ফ্রান্সের থেকে অনেক বেশি সংখ্যক বিধ্বংসী ত্রুজ মিসাইল কিনতে চলেছে ভারত।  যদিও চূড়ান্ত পর্যায়ের বৈঠক এখনো চলছে, আর সব কিছু ঠিক থাকলে ভারত  বিশাল পরিমাণে ত্রুজ  মিসাইল কিনে নিজের অস্ত্র ভান্ডারকে আরও বেশি করে সমৃদ্ধ করবে। এই ডিলের জন্যে ভারতের তরফেএখনো পর্যন্ত ৩০ কোটি ইউরো ধার্য করা হয়েছে বলে জানা  গিয়েছে।

অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত এই ত্রুজ  মিসাইল দিয়েই গুঁড়িয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানের জঙ্গী লঞ্চ প্যাডগুলি।  রাফায়েল যুদ্ধ বিমান থেকে এই ত্রুজ মিসাইল দিয়েই পাকিস্তানের সামরিক বিমানবন্দর উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই মিসাইল যুদ্ধ জাহাজ থেকেও যেমন নিক্ষেপ করা যায়, তেমন রাফায়েল যুদ্ধ বিমান থেকেও নিখুঁতভাবে নিক্ষেপ করে উড়িয়ে দেওয়া যায় শত্রুর ঘাঁটিগুলিকে।  এই বিধ্বংসী  মিসাইলগুলিকে যুক্ত করা হবে ভারতে থাকা রাফায়েল যুদ্ধবিমানের সাথে।  এই মিসাইল ভারতের অস্ত্র ভান্ডারে এখনো আছে, তবে এবার আরও বেশি করে এই মিসাইল ঘরে তুলতে চাইছে ভারত।

 

Aaj Khabor Desk, New Delhi, India, 08/02/2026:  India is set to move forward with a major defence deal with France for the purchase of a large number of deadly cruise missiles, with an estimated investment of around €300 million. Although final negotiations are still underway, the agreement is expected to significantly strengthen India’s missile arsenal if approved.

These cruise missiles have already proven their effectiveness during Operation Sindoor, when India used them to destroy terrorist launch pads in Pakistan. Launched from Rafale fighter jets, the missiles were also used to strike Pakistani military airbases with precision. The missiles can be fired both from warships and Rafale aircraft, making them a versatile and highly accurate weapon system.

India already possesses these missiles but is now planning to acquire them in larger numbers. The newly procured missiles will be integrated with India’s existing Rafale fighter fleet


 

Loading

ভারত-আমেরিকা যৌথ বাণিজ্যিক চুক্তি নিয়ে বিবৃতি দিল

এই চুক্তিতে উপকৃত হবে দুই দেশই  

আজ খবর (বাংলা), নতুন দিল্লী, ভারত, ০৭/০২/২০২৬ : কিছুদিন আগেই ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়ে দিয়ে আমেরিকা ভারতের সাথে নতুন করে বাণিজ্যিক চুক্তি করেছে।  এই চুক্তি নিয়ে দুই দেশ যৌথ বিবৃতি  এমনটাই বলা হয়েছিল।  সেই বিবৃতি আজ দেওয়া হল.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছে যে তারা পারস্পরিক এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির জন্য একটি কাঠামোতে উপনীত হয়েছে। আজকের এই কাঠামোটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কর্তৃক ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ শুরু করা বৃহত্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি (বিটিএ) আলোচনার প্রতি দেশগুলোর অঙ্গীকারকে পুনঃনিশ্চিত করে, যার মধ্যে অতিরিক্ত বাজার সুবিধা সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং আরও স্থিতিস্থাপক সরবরাহ শৃঙ্খলকে সমর্থন করা হবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে এই অন্তর্বর্তী চুক্তিটি আমাদের উভয় দেশের অংশীদারিত্বে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে, যা উভয়ের স্বার্থ এবং সুনির্দিষ্ট ফলাফলের উপর ভিত্তি করে পারস্পরিক ও ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্যের প্রতি একটি সাধারণ অঙ্গীকার প্রদর্শন করে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে অন্তর্বর্তী চুক্তির মূল শর্তাবলীর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
•     ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত শিল্পজাত পণ্য এবং শুকনো ডিস্টিলার্স গ্রেইন (ডিডিজি), পশুখাদ্যের জন্য লাল জোয়ার, বাদাম, তাজা ও প্রক্রিয়াজাত ফল, সয়াবিন তেল, ওয়াইন ও স্পিরিট এবং অতিরিক্ত পণ্য সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তৃত খাদ্য ও কৃষি পণ্যের উপর শুল্ক বিলোপ বা হ্রাস করবে।

•    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২ এপ্রিল, ২০২৫-এর নির্বাহী আদেশ ১৪২৫৭ (বৃহৎ এবং স্থায়ী বার্ষিক মার্কিন পণ্য বাণিজ্য ঘাটতিতে অবদান রাখে এমন বাণিজ্য অনুশীলন সংশোধন করার জন্য পারস্পরিক শুল্কের মাধ্যমে আমদানি নিয়ন্ত্রণ)-এর অধীনে, সংশোধিত আকারে, ভারতের উৎপাদিত পণ্যের উপর ১৮ শতাংশের একটি পারস্পরিক শুল্ক হার প্রয়োগ করবে, যার মধ্যে রয়েছে বস্ত্র ও পোশাক, চামড়া ও পাদুকা, প্লাস্টিক ও রাবার, জৈব রাসায়নিক, গৃহসজ্জার সামগ্রী, হস্তশিল্প পণ্য এবং নির্দিষ্ট কিছু যন্ত্রপাতি, এবং অন্তর্বর্তী চুক্তির সফল সমাপ্তি সাপেক্ষে, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এর নির্বাহী আদেশ ১৪৩৪৬ (পারস্পরিক শুল্কের পরিধি পরিবর্তন এবং বাণিজ্য ও নিরাপত্তা চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য পদ্ধতি স্থাপন)-এর পরিশিষ্টে চিহ্নিত বিস্তৃত পণ্যের উপর থেকে পারস্পরিক শুল্ক প্রত্যাহার করবে, যার মধ্যে রয়েছে জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যালস, রত্ন ও হীরা এবং বিমানের যন্ত্রাংশ।
•    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮ মার্চ, ২০১৮-এর ঘোষণা ৯৭০৪ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যালুমিনিয়ামের আমদানি সমন্বয়), সংশোধিত; ৮ মার্চ, ২০১৮-এর ঘোষণা ৯৭০৫ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাতের আমদানি সমন্বয়), সংশোধিত; এবং ৩০ জুলাই, ২০২৫-এর ঘোষণা ১০৯৬২ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তামার আমদানি সমন্বয়)-এ বর্ণিত জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি দূর করার জন্য আরোপিত ভারতের নির্দিষ্ট কিছু বিমান এবং বিমানের যন্ত্রাংশের উপর থেকে শুল্কও প্রত্যাহার করবে। একইভাবে, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, ভারত ১৭ মে, ২০১৯-এর ঘোষণা ৯৮৮৮ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অটোমোবাইল এবং অটোমোবাইল যন্ত্রাংশের আমদানি সমন্বয়), সংশোধিত-এ বর্ণিত জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি দূর করার জন্য আরোপিত শুল্কের অধীন স্বয়ংচালিত যন্ত্রাংশের জন্য একটি অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক হার কোটা পাবে। ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান সম্পর্কিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারা ২৩২ তদন্তের ফলাফলের উপর নির্ভর করে, ভারত জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যালস এবং উপাদানগুলির বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে ফলাফল পাবে।

•    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত নিজ নিজ আগ্রহের ক্ষেত্রগুলিতে একটি টেকসই ভিত্তিতে একে অপরকে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

•    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত এমন উৎপত্তিস্থল বিধি প্রতিষ্ঠা করবে যা নিশ্চিত করবে যে চুক্তির সুবিধাগুলো প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের কাছেই পৌঁছায়।
•    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে প্রভাবিত করে এমন অশুল্ক বাধাগুলো সমাধান করবে। ভারত মার্কিন চিকিৎসা সরঞ্জামের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের বাধাগুলো সমাধান করতে সম্মত হয়েছে; মার্কিন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পণ্যের জন্য বাজার প্রবেশে বিলম্ব ঘটায় বা পরিমাণগত বিধিনিষেধ আরোপ করে এমন বিধিনিষেধমূলক আমদানি লাইসেন্সিং পদ্ধতিগুলো বাতিল করতে সম্মত হয়েছে; এবং চুক্তির কার্যকর হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে একটি ইতিবাচক ফলাফলের লক্ষ্যে, চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলিতে ভারতীয় বাজারে প্রবেশকারী মার্কিন রপ্তানির উদ্দেশ্যে মার্কিন-বিকশিত বা আন্তর্জাতিক মান, যার মধ্যে পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তাও অন্তর্ভুক্ত, গ্রহণযোগ্য কিনা তা নির্ধারণ করতে সম্মত হয়েছে। দীর্ঘদিনের উদ্বেগগুলো সমাধানে একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্ব স্বীকার করে, ভারত মার্কিন খাদ্য ও কৃষি পণ্যের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অশুল্ক বাধাগুলো সমাধান করতেও সম্মত হয়েছে।
•    প্রযোজ্য প্রযুক্তিগত বিধিবিধানের সঙ্গে সম্মতি সহজ করার উদ্দেশ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত পারস্পরিকভাবে সম্মত ক্ষেত্রগুলির জন্য তাদের নিজ নিজ মান এবং সামঞ্জস্য মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা পোষণ করে।
•    যেকোনো দেশের সম্মত শুল্কের কোনো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত সম্মত হয় যে অন্য দেশ তার প্রতিশ্রুতি পরিবর্তন করতে পারবে।
•    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির আলোচনার মাধ্যমে বাজার প্রবেশের সুযোগ আরও প্রসারিত করার জন্য কাজ করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করে যে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির আলোচনার সময় তারা ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক কমানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভারতের অনুরোধটি বিবেচনা করবে।
•    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিস্থাপকতা এবং উদ্ভাবন বাড়ানোর জন্য অর্থনৈতিক নিরাপত্তা সমন্বয় জোরদার করতে সম্মত হয়েছে, যার মধ্যে তৃতীয় পক্ষের অ-বাজার নীতি মোকাবেলা করার জন্য পরিপূরক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং অভ্যন্তরীণ ও বহির্গামী বিনিয়োগ পর্যালোচনা ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত।
•    ভারত আগামী ৫ বছরে ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন জ্বালানি পণ্য, বিমান ও বিমানের যন্ত্রাংশ, মূল্যবান ধাতু, প্রযুক্তি পণ্য এবং কোকিং কয়লা ক্রয় করার ইচ্ছা পোষণ করে। ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তি পণ্যের বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে, যার মধ্যে গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (জিপিইউ) এবং ডেটা সেন্টারে ব্যবহৃত অন্যান্য পণ্য অন্তর্ভুক্ত, এবং যৌথ প্রযুক্তি সহযোগিতা প্রসারিত করবে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত ডিজিটাল বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক বা বোঝা সৃষ্টিকারী অনুশীলন এবং অন্যান্য বাধাগুলো মোকাবিলা করতে এবং বিটিএ-এর অংশ হিসেবে শক্তিশালী, উচ্চাভিলাষী ও পারস্পরিকভাবে সুবিধাজনক ডিজিটাল বাণিজ্য বিধি অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

India and the United States have jointly released a statement outlining the framework for an interim bilateral trade agreement aimed at expanding market access and strengthening supply-chain resilience. The agreement reaffirms the commitment made by Prime Minister Narendra Modi and US President Donald J. Trump on 13 February 2025 to advance a broader US–India Bilateral Trade Agreement (BTA).

Under the interim framework, India will reduce or eliminate tariffs on a wide range of US industrial, agricultural, and food products, while the United States will apply an 18 percent reciprocal tariff on certain Indian manufactured goods, including textiles, leather, chemicals, furniture, and handicrafts. However, upon successful completion of the interim deal, the US will withdraw reciprocal tariffs on several key Indian exports such as generic pharmaceuticals, gems and diamonds, and aircraft parts.

Both countries have also agreed to remove select national-security-related tariffs, address non-tariff trade barriers, establish clear rules of origin, and provide preferential market access in mutually agreed sectors. The agreement places strong emphasis on digital trade, regulatory cooperation, and harmonisation of standards to ease market entry.

Additionally, India has expressed its intent to purchase US goods worth USD 500 billion over the next five years, including energy products, aircraft, technology products, and critical raw materials, while both nations commit to deeper cooperation in technology, innovation, and economic security.


Loading

আমরা ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ পাকিস্তান, ইরান হয়ে যাবে না : আমির শফিকুর রহমান

ক্ষমতায়-এলে-বাংলাদেশের-মানবিক-মুখ-প্রতিষ্ঠিত-হবে-আমির-শফিকুর-রহমান

বাংলাদেশের মানবিক মুখ প্রতিষ্ঠা করার আশ্বাস দিচ্ছে জামাত ই ইসলামী 

আজ খবর (বাংলা) [আন্তর্জাতিক], ঢাকা, বাংলাদেশ, ২৪/০১/২০২৬ : বাংলাদেশের জামাত ই  ইসলামীর নেতা আমির শফিকুর রহমান একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে তাঁরা যদি ক্ষমতায় আসেন, তাহলে বাংলাদেশকে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা ই, রান হয়ে যেতে দেবেন না।’

প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে এখনও অন্ত্রবর্তী তদারকি সরকার চলছে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে। তবে আর কিছুদিন পরেই অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে সে দেশে, তাই নির্বাচনে যে রাজনৈতিক দলগুলি অংশ নেবে, তাদের তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। শুক্রবার রাতে রংপুর শহরে পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে জামাত ই   ইসলামীর নেতা আমির শফিকুর রহমান রাজনৈতিক ভাষণ দিতে গিয়ে বাংলাদেশের নতুন ভবিষ্যৎ নিয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দেন।
নতুন-বাংলাদেশ-গড়ার-স্বপ্ন-দেখাচ্ছে-জামাত-ই-ইসলামী

ড.আমির শফিকুর রহমান বাংলাদেশের জামাত ই ইসলামীর একজন জনপ্রিয় নেতা। অতীতে এই নেতা বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের সমর্থনের কথা বলেছেন, বাংলাদেশে থাকা বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেছেন বং সেগুলিকে সংরক্ষণের কথাও বলেছেন।  তিনি অতীতে বাংলাদেশের মহিলাদের বাইরে কাজ করতে  যাওয়া এবং পোশাক স্বাধীনতার সপক্ষে রায় দিয়েছিলেন।

শুক্রবার জনসভায় আমির শফিকুর রহমান বলেন, “তাঁরা ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ বাংলাদেশই  থাকবে, পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা ইরান হয়ে যাবে না।” মদিনার সনদ মেনেই তাঁরা চলবেন। বাংলাদেশে আর কেউ বেকার বা কর্মহীন থাকবে না। কোনো পরিবারেই বেকারত্ব থাকবে না। দেশে ন্যায় বিচার  ও আইনের  শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। সকলেই সমান অধিকার পাবে। ধর্মের দিক থেকেও প্রত্যেক মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে। বাংলাদেশের মানবিক মুখ প্রতিষ্ঠিত হবে।”

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে আমির বলেন, “তিনি মানবতার জননী নন, তিনি নিষ্ঠুরতার জননী। আমরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কোনো ফ্যাসি বাদ দেখতে চাই না। ”

Aaj Khabor, Dhaka, Bangladesh | January 24, 2026 — Jamaat-e-Islami leader Dr. Ameer Shafiqul Rahman, while addressing a public rally in Rangpur, stated that if his party comes to power in the upcoming national elections, Bangladesh will not turn into Pakistan, Afghanistan, or Iran. He assured that the country would retain its own identity and follow the principles of justice and equality.

Bangladesh is currently under an interim caretaker government led by Muhammad Yunus, with national elections scheduled for February 12. As the election date approaches, political activities have intensified across the country.

Speaking at the Public Library Ground in Rangpur, Dr. Rahman presented a vision of a humane and inclusive future for Bangladesh. He emphasized governance based on the Charter of Medina, promising rule of law, equal rights for all citizens, religious freedom, and the eradication of unemployment so that no family remains jobless.

Dr. Rahman, a prominent Jamaat-e-Islami leader, has previously expressed support for minority Hindu communities, visited temples, and spoken in favor of their preservation. He has also publicly supported women’s right to work outside the home and freedom of dress.

Criticizing former Prime Minister Sheikh Hasina, he said she should not be called the “Mother of Humanity” but rather the “Mother of Cruelty,” adding that he does not want to see any form of fascism return to Bangladeshi politics.

Loading

হিরণ -ঋতিকার বিয়ে নিয়ে বিতর্ক, পুলিশের দ্বারস্থ প্রথম স্ত্রী

abhineta heeroner dwitiya biye bitorko

  মেয়ের বয়সী ঋতিকাকে অবৈধভাবে বিয়ে করেছেন হীরণ : হিরণের স্ত্রী 

আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], ২২/০১/২০২৬ : অভিনেতা ও বিধায়ক হিরণ চ্যাটার্জির ঝামেলা আরও বাড়ল, প্রথম স্ত্রী পুলিশে অভিযোগ দায়ের করলেন কলকাতা |

টলিউড অভিনেতা এবং খড়গপুর সদরের বিজেপি বিধায়ক হিরণ চ্যাটার্জি তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে আইনি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চ্যাটার্জি বুধবার রাতে কলকাতার আনন্দপুর থানায় পৌঁছে তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পুরো বিতর্কটি কী?   সম্প্রতি, হিরণ চ্যাটার্জি বারাণসীতে ঋতিকা গিরির সাথে তার বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। এর পরপরই, তার প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা এগিয়ে এসে এই বিয়েকে সম্পূর্ণ ‘অবৈধ’ বলে অভিহিত করেছেন। অনিন্দিতা চ্যাটার্জির প্রধান অভিযোগ, বিবাহবিচ্ছেদ ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন হিরণ। অনিন্দিতা দাবি করেছেন যে তিনি এখনও হিরণকে আইনত ডিভোর্স দেননি। হিন্দু বিবাহ আইন অনুসারে, প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকাকালীন দ্বিতীয়বার বিয়ে করা অবৈধ।

বিবাহবিচ্ছেদের নোটিশ অস্বীকার: হিরণের দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকা দাবি করেছেন যে অনিন্দিতাকে বিবাহবিচ্ছেদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে, কিন্তু অনিন্দিতা তা তীব্রভাবে অস্বীকার করেছেন এবং প্রমাণ দাবি করেছেন।  অনিন্দিতার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাকে মানসিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছিল, কিন্তু মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তিনি চুপ ছিলেন।

হিরণের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ তার স্ত্রী ও কন্যা

হিরণের ১৯ বছর বয়সী মেয়ে নিয়াসা চ্যাটার্জিও তার মা’কে নিয়ে থানায় এসেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং বলেন, “আমার বাবা স্বামী এবং বাবা হিসেবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। আমি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তার বিয়ের কথা জানতে পেরেছি।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অনিন্দিতার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য নথিপত্র পরীক্ষা করার পর, পুলিশ হিরণ চ্যাটার্জিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকতে পারে। বর্তমানে, এই পুলিশি অভিযোগের বিষয়ে বিধায়ক হিরণ চ্যাটার্জির কাছ থেকে কোনও রকম প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


 

Loading

ফের ধাক্কা ভারতের, অতিরিক্ত শুল্ক এবার ইউরোপীয় ইউনিয়ানকেও

EU কে রপ্তানীতে বেশি শুল্ক দিতে হবে ভারতকে

আগেকার সুযোগ সুবিধাগুলি এখন আর পাচ্ছে না ভারত 

আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ২২/০১/২০২৬ : আন্তর্জাতিক বাজারে ফের ধাক্কা খেতে চলেছে ভারত। ভারতের এই বাধার  কারণ হল ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন।

ইইউ এবার নতুন করে শুল্ক চাপাতে শুরু করেছে ভারতীয় পণ্যের ওপর. এর আগে আমেরিকা অতিরিক্ত শুল্ক চাঁপিয়েছিল, কিন্তু এবার ইইউ নতুন করে শুল্ক চাপাতে শুরু করেছে ভারতীয় পণ্যগুলির ওপর. ভারতীয় পণ্যের অন্তত ৮৭% পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হচ্ছে ইইউকে। এই ধাক্কাটা শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে।  এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতকে রপ্তানীর ব্যাপারে যে সব সুযোগ সুবিধাগুলি দিয়ে আসছিল, সেই সুবিধাগুলিকে তুলে নেওয়া হয়েছে, ফলে ভারত রপ্তানীর দিক থেকে বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছে।

এতদিন ভারতীয় রপ্তানীকারী সংস্থাগুলিকে কম মার্জিনে শুল্ক দিলেও চলে যাচ্ছিল, (বিশেষ করে গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল বাণিজ্যে) কিন্তু সেই সুযোগ সুবিধাগুলি বর্তমানে তুলে নেওয়া হয়েছে, তাই এখন আগের  শুল্ক দিতে হচ্ছে ভারতীয় রপ্তানীকারকদের। টেক্সটাইল ছাড়াও ভারত ইউরোপীয় ইউনিয়নকে রপ্তানী করে রাসায়নিক দ্রব্যাদি, খনিজ আকর, লোহা, ইস্পাত, প্লাস্টিক, যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক পণ্য ইত্যাদি।

রপ্তানীর ক্ষেত্রে ফের ধাক্কা খেতে চলেছে ভারত

অবশ্য সব শিল্প এই বাধার মুখে পরে নি এখনও।  কিছু শিল্প আছে যে গুলো এখনও  শুল্ক ছাড়ের আওতায় আছে. যেমন হস্তশিল্প, চামড়াজাত দ্রব্য, কৃষি পণ্য ইত্যাদি। এই পণ্যগুলির রপ্তানী অবশ্য যথেষ্ট কম।  ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারত এই পণ্যগুলি ১৩% এর চেয়েও কম রপ্তানী করে. এই পণ্যগুলিকে এখনো পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।


 

Loading

ভারত সফরে আরবের রাষ্ট্রপ্রধান

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে তিনি কতটা গুরুত্ব দেন, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে এই সফরে।  : মোদী 

আজ খবর (বাংলা) [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত,২০/০১/২০২৬ :  সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রপ্রধান আজ এলেন ভারত সফরে। আরব আমিরশাহির সাথে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে এই সফর বলে মনে করা হচ্ছে।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর রাষ্ট্রপ্রধান শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে আজ নতুন দিল্লির বিমানবন্দরে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

ভারত সফররত নেতাকে ট্যাগ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী এক্স পোস্টে বলেছেন, “ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে তিনি কতটা গুরুত্ব দেন, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে এই সফরে।” আমির শাহীর রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলোচনার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন।


 

Loading

করাচির বহুতলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে মৃত ২৬, নিখোঁজ ৮১

আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], ইসলামাবাদ, পাকিস্তান,২০/০১/২০২৬ : পাকিস্তানের করাচিতে একটি শপিং ম্যলে  ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মোট ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা  যাচ্ছে। এই ঘটনায় অন্তত ৮১ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

পাকিস্তানের করাচি শহরে একটি বহুতল বাণিজ্যিক ভবনে আগুন লেগে গিয়েছিল। এই ঘটনাটি গত ১৭  তারিখে ঘটেছিল, আগুন লেগেছিল রাত্রি ১০টার  দিকে। এরপর টানা ৩৪ ঘণ্টা ধরে দাউ দাউ করে পুড়েছে গোটা বাণিজ্যিক ভবনটি।  আগুনের দাপট এতটাই ছিল যে আগুন নেভানোর কাজে দমকলের পাশাপাশি পাক রেঞ্জার্স এবং সেনাবাহিনীকে নামানো হয়েছিল। পাশাপাশি বেসরকারি কিছু বাহিনীকেও নামানো হয়েছিল। গতকাল আগুন আয়ত্তে এসেছে। আজ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

করাচি পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে মোট ২৬টি মৃতদেহ উদ্ধার করা গিয়েছে, যার মধ্যে ৬ জনকে শনাক্ত করা  গিয়েছে। বাকিদের ডিএনএ  পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে।  গুল  প্লাজা নামক ওই বাণিজ্যিক ভবনটি সম্পূর্ণ ধূলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে ৮১ জন ব্যক্তির নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ এসেছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের লোকজন পুলিশের সাথে যোগাযোগ রাখছে। কিভাবে আগুন লাগল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ছবি সৌজন্যে : দ্য ডন 


 

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor